শামীম আফরোজ সিমা
শামীম আফরোজ সিমা। জন্ম মাগুরা জেলায়, দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি মেজ, শিক্ষা জীবন শুরু করেন মাগুরাতে। সর্বশেষ ঢাকা সিটি কলেজ থেকে মাস্টার্স পাস করেন। ছোট বেলায় চাচা আবু জাফরের গান শুনলে পাশে এসে বসতেন সিমা। গানের তালে মাথা নাড়াতেন হাতে তাল দিতেন। এভাবে শুনতে শুনতে এক সময় সঙ্গীতের স্বর চিনে গেলেন। তখন তার বয়স ৯-১০ বছর। ফ্যামিলিতে একমাত্র চাচা ছাড়া কেউ উৎসাহ দিতেন না। স্কুল লাইফে চাচার কাছে শেখার পাশাপাশি মাগুরা জেলার ধ্রুব পরিষদে প্রথমে ভর্তি হন। সেখানে দুই বছর ক্লাসিকালের ওপর ট্রেইনিং নেন। এরপর ভর্তি হন মাগুরা শিল্পকলা একাডেমিতে। এখানেও ক্লাসিকালের পাশাপাশি সব ধরনের গান শিখতেন। এবং বিভিন্ন স্টেজে পারফর্মিং করতেন। মাঝে সঙ্গীতে কিছুটা গ্যাপ পড়ে গেলেও সঙ্গীত মুছে যায়নি হৃদয় থেকে। সঙ্গীত শেখার শেষ নেই এটা ভেবে ১৯৯৯ সালে ছায়ানটে রবীন্দ্র ও ক্লাসিকালে চার বছরের লং কোর্সে ভর্তি হন। দীর্ঘদিন অনুশীলনের পর একটি অ্যালবাম বের করেছেন। প্রথম অ্যালবাম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পল্লী কবি জসিমউদদ্ীনের আসমানীকে নিয়ে লেখা আসমানী শিরোনামে অ্যালবামটি করেছি। আমি জানতাম আসমানী কবির শুধু কল্পনা ছিল। কিন্তু বাস্তবে জানতে পারি তিনি বেচে আছেন। অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন তাকে আর্থিক সাহায্যার্থে অ্যালবামটি বের করেছি। ভালো সাড়া পাচ্ছি। আমার আগামীর ভাবনা সঙ্গীতের মাধ্যমে অসহায় মানুষের সেবা করবো। আরো একটি অ্যালবামের কাজ হাতে নিয়েছি। কিছু গানের কণ্ঠ ইতিমধ্যে দেয়া হয়েছে। মিউজিক ডিরেকশনে রাজীব। অ্যালবামের নাম এখনো পুরোপুরি ঠিক হয়নি।
শামীম আফরোজ সিমা অবসরে প্রচুর গান শোনেন। অভিনয় করা তার শখ। ইতিমধ্যে একটি জমিদার বাড়ির গল্প নামে এক ঘণ্টার নাটকে অভিনয় করেছেন। তার বর্তমান ব্যস্ততা সম্পর্কে বলেন, ফাহমিদা নবীর কাছে চার মাসের গ্রুমিং কোর্স করছি। ও নতুন অ্যালবামের কাজ নিয়েই ব্যস্ত আছি। সঙ্গীতকে অবলম্বন করে যেন শ্রোতাদের হৃদয়ে পৌছতে পারি।
সূত্রঃ দৈনিক যায়যায়দিন।


Post Your Comments