জাবিতে বারী সিদ্দিকীর কনসার্ট
স্মৃতির রথে আগামীর পথ, দেখা হবেই বন্ধু- এ স্লোগানকে ধারণ করে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটির ৩১তম ব্যাচের শিক্ষা সমাপনী উৎসব (র্যাগ) উপলক্ষে ফজিলাতুন্নেছা হল মোজোর স্পন্সরে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এরই অংশ হিসেবে গত শনিবার অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিন ছিল কনসার্ট। কনসার্টে প্রধান শিল্পী হিসেবে গান পরিবেশন করেন বারী সিদ্দিকী। এছাড়া গান পরিবেশনের জন্য উপস্থিত ছিলেন মোজোর নিজস্ব বাউল।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কনসার্ট শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিকাল থেকেই উৎসাহী ছাত্রছাত্রী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার লোকজন ভিড় করতে থাকে ইউনিভার্সিটির সংস্কৃতি চর্চার প্রাণকেন্দ্র মুক্তমঞ্চে। নির্দিষ্ট সময়ে মুক্তমঞ্চে কনসার্টের উদ্বোধন করেন ইউনিভার্সিটির প্রক্টর প্রফেসর সৈয়দ কামরুল আহসান। এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর এ টি এম আতিকুর রহমান, প্রফেসর মুস্তাফিজুর রহমান খান এবং ফজিলাতুন্নেছা হলের প্রভোস্ট প্রফেসর এ এ মামুন। উপস্থাপিকার ঘোষণার পর মোজোর নিজস্ব বাউল মঞ্চে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সাউন্ড সিস্টেমে ভেসে ওঠে গিটারের প্লাকিং। তার সঙ্গে সঙ্গে আনন্দের সুর বেজে ওঠে দর্শক শ্রোতাদের মনে। বাউল একের পর এক ১৪টি গান গেয়ে শোনায়। দর্শকরা শিল্পীর সঙ্গে সঙ্গে নেচে-গেয়ে মাতিয়ে তোলে মুক্তমঞ্চ এলাকা।
এরপর মঞ্চে আসেন দেশের বিশিষ্ট বংশীবাদক ও কণ্ঠশিল্পী বারী সিদ্দিকী। বাশি বাজানোর মাধ্যমে তিনি মঞ্চে আসেন। আমার মনে যতো দুঃখ সয় বন্ধুয়ারে কর তোমার মনে যাহা লয়, আমি একটা জিন্দা লাশ কাটিশ না রে জংলার বাশ, শুয়াচান পাখি আমি ডাকিতাছি তুমি ঘুমাইছো নাকি, নিলুয়া বাতাসে প্রাণ না জুড়ায় না জুড়ায় রে এ চারটি গান পরিবেশন করে দর্শক শ্রোতাদের মন জয় করেন।
অন্যান্য অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল ৩০ নভেম্বর অগ্নিনৃত্য (ক্যাম্পফায়ার), ১ ডিসেম্বর র্যালি ও মেহেদি উৎসব, ২ ডিসেম্বর মেহেদি উৎসব ও কনসার্ট এবং শেষ দিন ৩ ডিসেম্বর ডিনার ও র্যাগ আড্ডার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
সূত্রঃ যায়যায়দিন।
Bangla Music Tags: Bari Siddiqui, বারী সিদ্দিকী

Post Your Comments